বাংলাদেশের সর্ব জ্যেষ্ঠ ইন্টারভেনশনাল শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ

প্রফেসর ডা: নুরূন নাহার ফাতেমা

ল্যাবএইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ধানমন্ডি, ঢাকা।

সাফল্য গুলো

প্রফেসর ডা: নুরুন নাহার ফাতেমা বাংলাদেশের প্রথম পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজিস্ট এবং তিনি প্রথম জন্মগত শিশু হৃদরোগের ইন্টারভেনশন চালু করেন ও ধারনা দেন। তখন বুক কেটে হার্ট সার্জারী  চিকিৎসা একমাত্র বিকল্প পথ ছিল। তিনি ১৯৯৮ সালে সি এম এইচ ঢাকায় পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজী ডিপার্টমেন্ট প্রতিষ্টা করেন, যা ছিল বাংলাদেশের প্রথম পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজী ডিপার্টমেন্ট। এখানে শিশু কার্ডিয়াক ইমারজেন্সি এবং শিশু কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশন সহ সব ধরণের জরূরী রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়। এছাড়া তিনি বাংলাদেশের সকল শিশুদের জন্য ল্যাব এইড কার্ডিয়াক হাসপাতালে শিশু হৃদরোগের চিকিৎসা চালু করেন যা বিশ্বের সবচেয়ে ব্যস্ততম শিশু হৃদরোগ চিকিৎসা কেন্দ্র গুলোর মধ্যে অন্যতম। দরিদ্র শিশুরা যাতে বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরণ না করে সেই লক্ষ্যে তার প্রচেষ্টায় বিভিন্ন দাতব্য কার্যক্রম পরিচালিত হয়। তিনি বাংলাদেশে প্রয়োজনীয় সংখ্যক শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ তৈরির ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আয়োজনে অগ্রনী ভূমিকা রেখেছেন। তার প্রচেষ্টায় এফ সি পি এস পেডিয়ট্রিক কার্ডিওলজী কোর্স চালু হয় অক্টবর ২০১৮ সনে। তিনি সর্ব শেষ আবিস্কৃত শিশু  হৃদরোগের ইন্টারভেনশন সমুহ নিজস্ব প্রচেষ্টায় বাংলাদেশে একীভূত করেন। এর অংশ হিসাবে ২৫শে ডিসেম্বর ২০১২ সালে ঢাকায় সর্ব প্রথম সাউথ এশিয়ার মেলোডি পালমোনারী ভাল্ব প্রতিস্থাপন হয়। তার ভ্রমনকৃত দেশ সমূহ: সৌদি-আরব, আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট, যুক্তরাজ্য, অষ্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, জার্মনি, বেলজিয়াম, ইটালী, স্পেন, গ্রীস, সুইজারল্যান্ড পর্তুগাল, ভারত, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়শিয়া, জাপান, চায়না এবং হংকং ইত্যাদি। তিনি এসব দেশ থেকে শিশু হৃদরোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন প্রযুক্তি বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।

তিনি অক্লান্ত প্রচেষ্টায় সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের শিশু কার্ডিওলজী বিভাগকে উন্নত বিশ্বের সমপর্যায়ে নিয়ে যেতে সক্ষম হন। তার প্রচেষ্টায় সি এম এইচ ঢাকার শিশু বিভাগে দেশের অন্যতম শ্রেষ্ট বিভাগ গুলোর মধ্যে স্থান করে নিয়েছে। এই বিভাগে যেকোন শিশু রোগের সর্বোত্তম চিকিৎসা নিশ্চিত করা হয়।

 

তিনি বাংলাদেশে সর্বপ্রথম শিশুদের ট্রান্সক্যাথেটার ইন্টারভেনশন (বিনা অপারেশনে চিকিৎসা) সাফল্যের সাথে চালু করেন যেগুলো বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়।

মাইলফলক হিসাবে স্বীকৃত ইন্টারভেনশন সমূহ

  • বেলুন এট্রিয়াল সেপটোসটোমী, ১৯৯৮
  • পেটেন্ট ডাকটাস আরটারীওসাস কয়েল অকলুশন, ১৯৯৮
  • এট্রিয়াল সেপটাল ডিফেক্ট ডিভাইস ক্লোজার, ২০০০
  • ভেট্রিকুলার সেপটাল ডিফেক্ট ডিভাইস ক্লোজার, ২০০২
  • পেটেন্ট ডাকটাস আরটারীওসাস ডিভাইস ক্লোজার, ২০০২
  • মাসকুলার ভেট্রিকুলার সেপটাল ডিফেক্ট ডিভাইস ক্লোজার, ২০০৪
  • পেরিম্ব্রেনাস ভেট্রিকুলার সেপটাল ডিফেক্ট ডিভাইস ক্লোজার, ২০০৫
  • রাইট ভেনট্রিকেল আউটফ্লো ট্রাক্ট স্টানটিং, ২০০৬
  • পেটেন্ট ডাকটাস আরটারীওসাস স্টানটিং, ২০০৬
  • করোনারী ফিসটুলা কয়েল অকলুশন, ২০০৭
  • করোনারী স্টানটিং, ২০০৯
  • ভেট্রিকুলার সেপটাল ডিফেক্ট ডিভাইস ক্লোজার (এ্যামপ্লাজার ডিভাইস অকলুডার দ্বারা), ২০১১
  • পেটেন্ট ডাকটাস আরটারীওসাস ডিভাইস ক্লোজার (এ্যামপ্লাজার ডিভাইস অকলুডার দ্বারা), ২০১১
  • দক্ষিন এশিয়ায় প্রথম পালমোনারী ভাল্ব প্রতিস্থাপন বৈদেশিক প্রক্টোর সহ, ২৫.১২.২০১২
  • দক্ষিন এশিয়ায় প্রথম পালমোনারী ভাল্ব প্রতিস্থাপন  নিজেস্ব প্রচেষ্টায়, ০১.০১.২০১৪

ক্যাথ ল্যব কার্যক্রম

কার্ডিয়াক ক্যাথেটারইজেশন 4686টি
কার্ডিয়াক ইন্টাভেনশন 6065টি

বৈজ্ঞানিক/সামাজিক/সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ

বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সোসাইট

বৈজ্ঞানিক সম্পাদক ২০০৮-২০১৪
২০০৯ সালে আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠান ও প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক শিশু হৃদরোগের জন্য অনুদান।

এশিয়া পেসিফিক পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সোসাইটি

দেশীয় প্রতিনিধি ২০০৬-২০০৮
২০০৬ সালে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করা

বাংলাদেশ পেডিয়াট্রিক এসোসিয়েশন

কালচারার কমিটি মেম্বার ২০১০-২০১২
ওয়াদুদ ময়মুন্নেছা গোল্ড মেডেল প্রবর্তন

ওয়াদুদ ময়মুন্নেছা ফাউন্ডেশন

ট্রেজারার – ২০১৪
ফ্রি সারকামসিশন, ফ্রি ফ্রাই ডে ক্লিনিক চালু, বিনামূলে্য গরীব রোগীদের চিকিৎসা ও ঔষধ প্রদান, বৃত্তি প্রদান, বন্যা দুর্গতদের সাহায্য প্রদান, শীত্বার্থদের কম্বল প্রদান, অগ্নি দুর্ঘটনায় সাহার্য প্রদান।

বি, সি পি এস

সদস্য-১৯৯৫

আজীবন সদস্য – ২০১৩

চাইল্ড হার্ট ট্রাস্ট বাংলাদেশ

সহ-সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত সভাপতি) – ২০০৪
বিনামূল্যে গরীব শিশু রোগীদের হার্টের আপারেশন এবং খরচ বহন করা।

বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি

মেম্বার – ২০০২
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রকাশনা

বাংলাদেশ হার্ট রিসার্স এসোসিয়েশন

সদস্য
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রকাশনা

International Society of Cardiovascular Ultra Sound (Bangladesh Chapter)

আজীবন মেম্বার – ২০০৭
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রকাশনা

Bangladesh Academy of Echo Cardiography

আজীবন মেম্বার – ২০১৮
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রকাশনা

পরীক্ষক

FCPS Part II Paediatrics – BCPS
MD Paediatric Cardiology BSMMU – 2014
Examiner- BUP
AFMI

সাউথ এশিয়া ফোরাম ফর রিউমাটিক ফিভার (বাতজ্বর)

আজীবন মেম্বার – ২০১৪
বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও প্রকাশনা

বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইকো কার্ডিওগ্রাফি

সদস্য – আজীবন (ইসি সদস্য)

পেডিয়াট্রিক কার্ডিয়াক সোসাইট অব ইন্ডিয়া

আজীবন সদস্য – ২০১৪

আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজী

সদস্য – ২০০৯

রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ান অব এডিনবার্গ

সদস্য – ২০১০

সোসাইটি অব কার্ডিওভাসকুলার এনজিওগ্রাফি এন্ড ইন্টারভেনশন

সদস্য – ২০১২

সম্মাননা

Little Heart এবং Al Muntada Charity

K.S.A aid UK কর্তৃক প্রদত্ত

সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

বাংলাদেশের শিশু হৃদরোগীদের চিকিৎসার জন্য পদক ও Charity কার্যক্রমের জন্য সার্টিফিকেট প্রদান

দক্ষিন এশিয়ায় সর্ব প্রথম পালমোনারী ভাল্ব প্রতিস্থাপনের জন্য পদক

Medtronic, USA কর্তৃক প্রদত্ত পদক

দাতব্য কাজ:

ওয়াদুদ ময়মুন্নেছা ফাউনডেশন:

এই ফাউনডেশনটি প্রফেসর ডা: নুরন্নাহার ফাতেমা বেগম এর পরিবার এবং ভাইবেন দের সহয়তায় প্রতিষ্টিত হয়েছিল। এটি একটি পারিবারিক ভিত্তি যা অনেক একাডেমিক, চিকিৎসা এবং দাতব্য কার্যকালাপ পরিচালনা করে। তার পরিচালনায় নীচের কার্যক্রমের জন্য পরিকল্পনা, তত্তাবধান এবং অর্থায়ন সম্পন্ন হয় (ব্যাক্তিগত প্রতিষ্ঠা বা তহবিল সংগ্রহের মাধ্যমে)।

  • মৌলভীবাজারের রড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামের মেধাবী দরিদ্র শিশিুদের নিয়মিত বৃত্তি প্রদান করা হয়। ঐ সমস্ত এলাকার মাদ্রাসা এবং স্কুল সমূহে সিলিং ফ্যান, কম্পিউটার দেওয়া হয় এবং যখন যা প্রয়োজন হয় তা দেওয়া হয়। তিনি সরাসরি এই কার্যক্রম তত্তাবধান এবং এই উদ্যোগের জন্য তহবিল পরিচালনা করেন ।
  • শীত মৌসুমে গরীব শীত্বার্থদেরকে কম্বল প্রদান, বন্যা দূর্গতদের মাঝে নিয়মিত শুকনো খাবার ও সাহায্য প্রদান। যেকোন প্রাকৃতিক বিপর্জয়ে দুর্গতদের পাশ্বে দাড়ানো।

 রানাপ্লজায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য প্রদান:

রানা প্লাজা দূর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে তিন দিন শুকনো খাবার, ঔষধ, অক্সিজেন এবং কাপড় বিতরন করেন।

ফ্রি ফ্রাইডে ক্লিনিক:

  • ওয়াদুদ মযমুন্নেছা ফাউনডেশন মৌলভীবাজারের রড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামে ফ্রি ফ্রাই ডে ক্লিনিক  প্রত্যেক শুক্রবার পরিচালনা করে  যা ২০১৩ সালের এপ্রিল মাস থেকে অদ্যবদি এখনো চালু আছে। ঐ এলাকার ৪/৫ গ্রামে কোন চিকিৎসা  সুবিধা নেই, প্রতি সপ্তাহে ২০০ রোগীর বিনামূল্যে ঔষধ বিতরন করা হয়।
  • ওয়াদুদ মযমুন্নেছা ফাউনডেশন মৌলভীবাজারের রড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামে ১লা বৈশাখ নববর্ষে ফ্রি সারকামসিশন পরিচালনা করে সেখানে ৩০ টি গরীব রোগীর ফ্রি খতনা করা হয়।
  • ওয়াদুদ মযমুন্নেছা ফাউনডেশন মৌলভীবাজারের রড়লেখা উপজেলার পাকশাইল গ্রামে শিশুদের হার্ট স্ক্রিনিং করে। কারো হৃদরোগ সন্দেহ হলে তার পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে নির্দেশনা দেয়া হয়।
  • এই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে বর্তমানে পাকশাইল গ্রামে একটি হাসপাতাল নির্মাণের কার্যক্রম চলছে, যেখানে গরীব রোগীদের চিকিৎসা প্রদান করা হবে।

  চাইল্ড হার্ট ট্রস্ট বাংলাদেশ:

  • এটি একটি চ্যারিটি কার্যক্রম যা চাইল্ড হার্ট ট্রাস্ট বাংলাদেশ নামে পরিচিত। বিভিন্ন শিশু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জনগন এর সদস্য। এটি সদস্য ও তার আত্বীয়দের নিকট থেকে জাকাতের টাকা সংগ্রহ করে গরীব শিশু হৃদরোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থা করে থাকে। তিনি এই প্রতিষ্টানের জন্মলগ্ন থেকে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। প্রায়াত জীতীয় অধ্যাপক এম আর খান এর সহায়তায় গরীব ও দরিদ্র শিশু হৃদরোগীদের বিনা মূল্যে বা স্বল্প খরচে চিকিৎসা ব্যবস্থা করার জন্য চাইল্ড হার্ট ট্রাস্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্টিত হয় ২০১৪ সালের জুন মাসে। এই পর্যন্ত ১৫০টি রোগীর ওপেন হার্ট সার্জারী এবং ইন্টারভেনশন করা হয়েছে। চাইল্ড হার্ট ট্রাস্ট বাংলাদেশ এর সদস্য হিসাবে প্রফেসর ডা: নুরুন নাহার ফাতেমা বেগম প্রতি সন্ধ্যায় কিছু গরীব রোগীদেগর বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান করেন। বিশ্ব হার্ট দিবসে চাইল্ড হার্ট ট্রাস্ট বাংলাদেশ এর ব্যানারে বিভিন্ন সেমিনার উদযাপন করা হয়।
  • ২১ শে ফেব্রুয়ারী ২০১৬ সালে পুবাইলের বরাইবারি গ্রামে এবং ১লা বৈশাখ ১৪২৪ বিনা মূল্যে হার্ট স্ক্রিনীং ক্যাম্প পরিচালনা করা হয় এবং ১০০ জন শিশুর মধ্যে ৩ জন কে জন্মগত হৃদরোগ হিসাবে পাওয়া যায়।
  • ৩০ শে এপ্রিল ২০১৭ সালে আদমজী কান্টনমেন্ট স্কুলে ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ত্রি পর্যন্ত ৬০০ জন ছাত্রকে নিয়ে আরো একটি হার্ট স্ক্রিনিং ক্যাম্প  পরিচালনা করেন এবং ১৫ জন কে জন্মগত হৃদরোগ সনাক্ত করেন।

Little Heart KSA, Al Muntada Aid, UK, কাতার রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, এর যৌথ উদ্যোগে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ঢাকায় জন্মগত হৃদরোগীদের বিনামূল্যে সার্জারী এবং ইন্টারভেনশন কার্যক্রম:

বাংলাদেশে অনেক শিশু জন্মগত হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। দরিদ্র হওয়ার কারনে এরা অনেকেই বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুবরন করে থাকে। এমতাঅবস্থায় দেশের শিশু হৃদরোগ চিকিৎসার পথিকৃত প্রফেসর ডা: নুরুন নাহার ফাতেমা বেগম Little Heart KSA, Al Muntada Aid, UK কে এই সমস্ত মৃত্যু পথযাত্রীদেও জন্য কিছু একটা করার আহবান জানাান। যার ফলশ্রুতিতি  Little Heart KSA, Al Muntada Aid, UK এবং কাতার রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগীতা প্রদানের জন্য সম্মত হয়। একই সাথে বাংলাদেশ সরকারের ডি জি এম এস এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে ঢাকা সি এম এইচ কে বেজ হাসপাতাল হিসাবে ব্যাবহারের অনুমতি প্রদান করেন। তখন থেকে বছরে ২ বার এই  চ্যরিটি মিশন সম্পন্ন হয়ে থাকে।

এই পর্যন্ত চারটি চ্যারিটি মিশন সফলতার সাথে সম্পন্ন হয়েছে যার ফলাফল নিন্মরূপ।

প্রথম চ্যারিটি মিশন (অক্টেবর ২০১৪ সার্জারী ১৯, ইন্টারভেনশন ২১)

দ্বিতীয় চ্যারিটি মিশন (ফেব্রুয়ারী ২০১৫  সার্জারী ২৯, ইন্টারভেনশন ৫২, ডায়াগোনাস্টিক ক্যাথেটারাইজেশন ২৭)

তৃতীয় চ্যারিটি মিশন (ডিসেম্বর ২০১৫ সার্জারী ৩৭, ইন্টারভেনশন ৫৬, ডায়াগোনাস্টিক ক্যাথেটারাইজেশন ৩০)

চতুর্থ চ্যারিটি মিশন (ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ইন্টারভেনশন ৭৫, ডায়াগোনস্টিক ক্যাথেটারাইজেশন ১০)

উপরোক্ত চিকিৎসা ব্যাবস্থার আর্থিক মূল্য প্রায় ২০ কোটি টাকা।

Al Muntada Aid, UK এর বাংলাদেশে স্থায়ী চ্যারিটি:

প্রফেসর ডা:  নুরুন নাহার ফাতেমা Al Muntada Aid, UK কে ১০০ জন জন্মগত হৃদরোগীর অপারেশনের ব্যায় নির্বাহের জন্য সম্মত করেন এবং সমজোতা স্বারক সাক্ষর করেন। বারডেম হাসপাতালের কার্ডিয়াক সার্জন ডা: রোকনুজ্জমান সেলিমকে সার্জন হিসাবে নিয়োগ প্রদান করেন এবং প্রফেসর ডা:  নুরুন নাহার ফাতেমা বেগম নিজে উক্ত প্রগ্রামটি সার্বিক তত্তাবধান করছেন। এ পর্যন্ত ২০০ টির বেশি সার্জারী সাফল্যের সাথে সম্পন্ন হয়েছে।

চ্যারিটি:

1. Child Heart Trust Bangladesh

2. Al Muntada Charity in Ibrahim Cardiac Hospital

3. Wadud Moimunnessa Foundation

ব্যাক্তিগত চ্যারিটি:

তিনি দরিদ্র রোগীদের ফ্রি ইন্টারভেনশন, কনসালটেশন/ঔষধ প্রদান করেন। পেশাগত জীবনের শুরূতে শিশুহৃদরোগ ডিপার্টমেন্ট চালুর জন্য যন্ত্রপাতি ও ডিসপোজেবল প্রদান করে বাংলাদেশে শিশুহৃদরোগীদের চিকিৎসা শুরু করেন।

অনুদান প্রদান:

বাংলাদেশ কার্ডিয়াক সোসাইটি (BPA) অফিস নির্মাণের জন্য অনুদান প্রদান।

বাংলাদেশ শিশু চিকিৎসক সমিতির হাসপাতাল নির্মান এর জন্য সাহায্য প্রদান।

সচেতনতা মূলক অনুষ্ঠান:

বাংলাদেশের প্রায় সবকয়টি মেডিকেল কলেজে সেমিনার, সিম্পোজিয়ামের মাধ্যমে শিশু রোগ এবং এর চিকিৎসার ব্যাপারে সচেতনা তৈরি করেন এবং চিকিৎসকদের উক্ত বিষয়ে আগ্রহী করে তোলেন।

একাডেমিক কার্যক্রম:

১. শিশু কার্ডিওলজী বিষয়ে বিশ্বের  বিভিন্ন দেশ থেকে বৃত্তি আনয়ন এবং তরূন চিকিৎসকদের উক্ত বিষয়ে উদ্ভুদ্ধ করন।

২. শিশু চিকিৎসদের অনুপ্রানিত করার লক্ষে প্রতি ২ বছর অন্তর অন্তর বাংলাদেশে শিশু চিকিৎসক সমিতির মাধ্যমে শ্রেষ্ট ১ জন শিশু চিকিৎসককে ওয়াদুদ ময়মুন্নেছা স্বর্ণপদক প্রদান করে থাকেন।

৩. প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ভ্রমন করে শিশু কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশনে ঐ সমস্ত দেশের সর্বশেষ প্রযুক্তি আয়ত্ত করেন এবং তা নিজ হাসপাতালে ও দেশের অন্যান্য হাসপাতালে সেমিনার সিম্পোজিয়াম এর মাধ্যমে ট্রান্সফার করেন।

৪. সম্প্রতি  ”কনজিনিটাল কার্ডিয়াক ইন্টাভেনশন এ্যান্ড রিসার্স ওয়ার্ক ইন বাংলাদেশ” নামে তার একটি মৌলিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।

৫.       পিতা মাতার নামে প্রতিষ্টিত ওয়াদুদ ময়মুন্নেছা ফাউনডেশনের মাধ্যমে সড়ক দূঘটনা, জলে ডুবা এবং বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট রোগীদের সি পি আর প্রদানে সচেতেনতার জন্য ৩ টি ভিডিও ক্লিপ তৈরি করেন যা দেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হচ্ছে এবং দর্শকদের ভূয়সী প্রসংশা অর্জন করেছে।

৬.       ২০১৬ সালে নোটবুক অব পেডিয়াট্রিক কার্ডিওলজী নামক একটি মৌলিক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।

৭.       শিশুদের বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে ৯ টি প্রটোকল সম্পাদনা করেন যা বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে অনুসরন করা হয়।

৮.      নবজাতক ও মায়ের পরিচর্যা, টিকা দান কর্মসূচি এবং জীবন রক্ষাকারী “সি পি আর” সম্পর্কে তিনটি ম্যানুয়েল প্রকাশ করা।

শিশুদের ইকো কার্ডিওগ্রাফিঃ নতুন ধারনা সূচনা

১৯৯৮ সাল থেকে বাংলাদেশে সর্ব প্রথম শিশুদের জন্য আলাদা ইকোকার্ডিওগ্রাফি কার্যক্রম শুরু হয়। সিএমএইচ ঢাকার কার্ডিও থোরাসিক সেন্টার শিশুদের জন্য আলাদা Reporting form তৈরী এবং বিভিন্ন নামকরণ ঠিক করা হয় যা Anatomical Analysis বা Sequential Segmental Analysis এর সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। যেমনঃ সম্পূর্ণ স্বাভাবিক Report হলে লিখা হতো “Normal Cardiac Anatomy”। রোগের নামকরনে Van-Pragh এবং Anderson কে অনুসরন করা হতো।

বিভিন্ন রোগীর Follow up করার সময় Reporting এ সমস্যা দেখা দিত। দেখা যেত কিছু রোগ Follow up এর সময় ভাল হয়ে যায় এবং কিছু রোগ বেড়ে যায়। এ অবস্থায় যে কেউ পূর্ববর্তী Report কে ভুল মনে করতে পারেন। তাই প্রতিটি follow up Report এ Status Post অথবা S/P লিখে পূর্ববর্তী Diagnosis বোঝানো হতো। যাতে Confusion না হয়। কিছু রোগ দেখা যেত ভাল হওয়ার পরও আবার ফেরত আসে। যেমনঃ Patent Foramen Ovale (PFO), Patent Ductus Arteriosus (PDA) ইত্যাদি।

ফলশ্রুতিতে প্রত্যেক রোগী ভাল হয়ে যাওয়ার পর ও ০৬ মাস বা ০১ বছর পর Check Echo করার উদ্যোগ নেওয়া হতো। রোগীদের Diagnosis সমূহ লিখার পর Management Plan সংযুক্ত করা হতো। যাতে রোগী Echo করার পর তার রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে অবহতি হতে পারে এবং অবহেলা না করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়। কারণ কোন কোন রোগে জরুরী চিকিৎসা না হলে শিশু মারা যায়। Echo Reporting এর সময় Description এ রোগীর হার্টের Anatomy এবং এর অস্বাভাবিকতা সমূহকে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হতো। যে রোগ নির্ণয় হতো তার কোন জটিলতা হয়েছে কিনা সে সম্পর্কে Report করা হতো। যে রোগীর সার্জরী করা প্রয়োজন তার Indication এবং সম্ভ্যাব্যতা সম্পর্কে Detail ধারণা দেওয়া হতো। যেমন সকল Ventricular Septal Defect (VSD) অপারেশন লাগে না, কারো লাগলে তার প্রয়োজনীয়তা Report এ উল্লেখ করা হতো এবং Management Plan এ অপারেশনের পরামর্শ দেওয়া হতো। ফলশ্রুতিতে এদেশে Surgery Friendly Echo এর সূচনা হয়। কোন VSD রোগীর জন্য অপারেশন ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে অথবা অপারেশন সম্ভব নাও হতে পারে। এসব নির্দেশনা Report এ উল্লেখ করা হতো। কারো বিনা আপারেশন ডিভাইসের মাধ্যমে VSD ছিন্দ্র বন্ধ করা যায়। সেটাও Report এ উল্লেখ করা হয়। এক পর্যায়ে ২০০২ সাল থেকে ওমর সুলতান মেডিকেল সার্ভিসেস, ধানমন্ডি-৮ এ একটি ভাল ইকো মেশিন ক্রয় করা হয়। তখন সেই সেন্টারে শিশুদের ইকো কার্যক্রম শুরু হয়। বিভিন্ন জায়গা থেকে শিশুরা রেফার্ড হয়ে এসে সেখানে ইকো করতো। প্রফেসর নজরুল ইসালাম স্যার একদিন অবাক বিস্ময়ে বললেন, “এত শিশু আসে কোথা থেকে”? সেখানকার Computer এ সব ধরণের ইকো Report সংরক্ষণ করা হতো। যা পরবর্তীতে অনেকে ব্যবহার করেছেন।

পরবর্তীতে ল্যাব এইড কার্ডিয়াক হাসপাতালে ২০০৫ সাল থেকে শিশু ইকো কার্ডিওগ্রাফি কার্যক্রম শুরু হয় এবং একটি বিশ্বের অন্যতম ব্যাস্ত শিশু ইকো ল্যাব হিসাবে এখন পরিচিতি পেয়েছে।

ইকো কার্ডিওগ্রাফিকে বলা হয় ক্লিনিক্যাল Stethoscope। কোন শিশু কার্ডিওলজিস্ট নিজ চোখে শিশুর হার্ট না দেখলে তার চিকিৎসা করা অসম্ভব। শিশুর হার্টের প্রতিটি সমস্যা Screen এ Live দেখে সাথে সাথে Management Plan তৈরী করা একজন ভাল Paediatric Cardiologist এর দায়িত্ব।

Echo করার পর রোগীর অপারেশন, Catheterization বা Transcatheter Intervention অথবা Medical Management সম্পর্কে তাৎক্ষনিক পরিকল্পনা তৈরী করে চিকিৎসা চালাতে হবে। তাহলে জটিল রোগীদেরও জীবন রক্ষা করা সম্ভব।

এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় শিশুদের ইকো কার্ডিওগ্রাম করা হয়। যা এক যুগ আগেও ছিল ধারনাতীত। ১৯৯৮ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সিএমএইচ ঢাকার শিশু কার্ডিওলজি বিভাগ Fetal Echo, Neonatal Screening and functional Echo, শিশু ও বড়দের জন্মগত ও কাঠামোগত হৃদরোগের Echo ইত্যাদিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখছে।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

প্রাথমিক বিদ্যালয়

কিশোরী মোহন মিরাবাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়, সিলেট

প্রথম স্থান অর্জন, বৃত্তি

এসএসসি/সমমান

কিশোরী মোহন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়, সিলেট

প্রথম বিভাগ বিজ্ঞান, ১৯৭৭

এইচএসসি/সমমান

সিলেট সরকারী (এম সি কলেজ)

প্রথম বিভাগ বিজ্ঞান ১৯৭৯

এমবিবিএস

ওসমানী মেডিকেল কলেজ

দ্বিতীয়স্থান: চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯৮৫

এফসিপিএস (শিশু)

বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস, মহাখালী, ঢাকা

১৯৯৫

এফআরসিপি (ইডেন)

রয়েল কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অব এডিনবার্গ, যুক্তরাজ্য

২০০৯

এফ,এ,সি,সি (ইউ এস এ)

আমেরিকান কলেজ অব কার্ডিওলজি যুক্তরাষ্ট

২০০৯

এফ এস সি এ আই (ইউ এস এ)

সোসাইটি অব কার্ডিওভাসকুলার এনজিওগ্রাফি এন্ড ইন্টারভেনশন, আমেরিকা

২০১১

বিগত অ্যাপয়েন্টমেন্ট:

মেডিকেল অফিসার

বিভিন্ন সামরিক হাসপতাল, বাংলাদেশ

১৯৮৭-১৯৯২

সহকারী রেজিষ্টার শিশু

পিজি হাসপাতাল (বর্তমান- বি এস এম এম ইউ) ও শিশু হাসপাতাল, ঢাকা

১৯৯৪-১৯৯৫

গ্রেডেড শিশু বিশেষজ্ঞ

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকা, বাংলাদেশ

১৯৯৫ – ১৯৯৬

রেজিষ্টার/সিনিয়র রেজিষ্টার, শিশু কার্ডিওলজী

প্রিন্স সুলতান কার্ডিয়াক সেন্টার, রিয়াদ, সৌদি আরব

১৯৯৬ – ১৯৯৮

সহযোগী অধ্যাপক, শিশু

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ, ঢাকা, বাংলাদেশ

২০০২ – ২০০৩

অধ্যাপক, শিশু বিভাগ

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ, ঢাকা, বাংলাদেশ

মে – ২০১৫

অধ্যাপক, শিশু বিভাগ

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা, বাংলাদেশ

ডিসেম্বর – ২০১৬

সহযোগী অধ্যাপক, শিশু

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ, ঢাকা, বাংলাদেশ

২০০২ – ২০০৩

ক্লাসিফাইড শিশু বিশেষজ্ঞ

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, চট্টগ্রাম বাংলাদেশ

২০০৩ – ২০০৪

বর্তমান অ্যাপয়েন্টমেন্ট

বিভাগীয় প্রধান শিশু কার্ডিওলজি

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকা বাংলাদেশ

১৯৯৮ থেকে এখন পর্যন্ত

অনারারী কসালটেন্ট, শিশু কার্ডিওলজী

সেন্টাল হাসপাতাল, ঢাকা, বাংলাদেশ

২০০০

অনারারী কনসালটেন্ট, শিশু কার্ডিওলজী

ল্যাব এইড কার্ডিয়াক হাসপাতাল, ঢাকা, বাংলাদেশ

২০০৪

বি সি পি এস একাডেমিক কাউনসিলের মেম্বর

বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস, মহাখালী, ঢাকা, বাংলাদেশ

জানুয়ারী ২০১২

অধ্যাপক, এনাটমী

আর্মড ফোর্সেস মেডিকেল কলেজ, ঢাকা, বাংলাদেশ

এপ্রিল ২০১৪

পোষ্ট গ্রাজুয়েট পরীক্ষক (বিসিপিএস)

বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস এন্ড সার্জনস, মহাখালী, ঢাকা, বাংলাদেশ

জানুয়ারী ২০১২

বিভাগীয় প্রধান, শিশু

সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল, ঢাকা, বাংলাদেশ

মে ২০১৫

বিভাগীয় প্রধান, শিশু

কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল

বিভাগীয় প্রধান, শিশু
বর্তমান

বিভাগীয় প্রধান, শিশু

উপদেষ্টা শিশু ও শিশু হৃদরোগ

বাংলাদেশ আর্মি
বর্তমান

Remarkable Achievement of First Paediatric Cardiology Centre of Bangladesh

  1. First ever Coarctation stenting in a status post case of PDA Device Closure and Coarctoplasty (29.7.2015)
  2. First ever Coarctation stenting 2009
  3. Ist ever Independent case of Pulmonary Valve Replacement in South Asian Cath Lab CMH Dhaka (Date: 01.01.2014)
  4. First ever Coarctation Covered Stent (9.4. 2014)
  5. Closure Of Perimembranous VSD with Nonconventional Technique using ADO-2 device in Beating Heart And Awake Condition (30.4.12)
  6. First ever RVOT Stenting in South Asia for DORV, VSD, PS. (2006)
  7. PDA Stenting in A Case Of Pulmonary Atresia as life saving measure And restenting After Acute Stent Thrombosis 1n 48 Hours(First Ever Restenting In Bangladesh) 2013
  8. First ever Pulmonary Valve Replacement in South Asia with Melody Valve. 25.12.2012
  9. First ever VSD closure with ADO—II in 2012.
  10. First ever PFO closure with occlutech 2012
  11. First ever use of BUSENTAN in newborn and children since 2010.
  12. First ever Coronary Fistula closure, 2010 (case report published)
  13. First ever bed side neonatal intervention in NICU 2008.
  14. First ever VSD Coil occlusion, 2007 (case report published).
  15. First ever PFO closure with AMPLATZ® PFO Occluder, 2006
  16. First ever PM VSD closure, 2006 (case report published).
  17. First ever PDA stenting, 2006 (case report published)
  18. First ever RVOT Stenting 2006.
  19. First ever VSD closure with PDA Occluder; 2005
  20. First ever VSD device closure with AMPLATZ® Muscular, 2004 (case report published).
  21. First ever PDA device closure, 2003 (case report published)
  22. First ever Aortic Balloon in critical AS, 2001 (case report published).
  23. First ever PDA coil occlusion, 1999 (case report published).
  24. First ever ASD device closure, 2000 (case report published).
  25. First ever CoA Balloon in newborn, 2000 (case report published).
  26. First ever Pulmonary valvoplasty in an infant 1999 (case report published).
  27. First ever use of SILDENAFIL in newborn and children since 1999.
  28. First ever balloon Atrial Septostomy 1998 (case report published)
  29. First ever use in injection INDOMETHACINE and PROSTAGLANDIN in neonatal ICU December 1998 (report published).
  30. First ever placement of Central Line in newborn and children since with Arrow Triple and Double Lumen Cannula 1998.
  31. Specialized treatment and diagnosis of Persistent Pulmonary Hypertension (PPHN) and persistent fetal circulation (PFC) in NICU. (Report Published) since 2000.
  32. Opening of first ever Paediatric Cardiology unit of Bangladesh, in CMH DHAKA ,19 Sept 1998.
  33. Designing curriculum for FCPS Paediatric Cardiology, Grading Course paediatrics AFMI, DCH  (BUP) 2013.
  34. Designing of LOG BOOK of Paediatric Cardiology 2008:
  35. Preparation of planning of armed forces Institute of Cardiology (AFICVD) and submission of plan 2008.
  36. Preparation of planning of national Institute of Paediatric Cardiac Diseases (NIPCD) in Bangladesh – 2010.
Close
Close
Len Dawson Womens Jersey